প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননকেন্দ্র হালদা নদী থেকে আহরিত ডিম থেকে উৎপাদিত রেণু বিক্রি গতকাল মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এবার প্রতি কেজি রেণু ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিম সংগ্রহকারী ও রেণু উৎপাদনকারীরা।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, গত ৩০ এপ্রিল বৈশাখ মাসের প্রথম পূর্ণিমার জো বা তিথিতে তিন দফায় ৬ হাজার কেজি ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগৃহীত এই ডিম থেকে ১৫২ কেজি রেণু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে মৎস্য বিভাগ।
জানা যায়, বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে নদীর অংকুরী ঘোনা, গড়দুয়ারার নয়াহাট, সিপাহির ঘাট, পাতাইজ্জ্যার টেক, কাগতিয়ার টেক, সোনাইর মুখ, মাছুয়াঘোনা, আজিমার ঘাট, নাপিতের ঘাট, রামদাস মুন্সিরহাট, বারিয়াঘোনা, আমতুয়া কুমারখালির টেক ও মদুনাঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় মা মাছ ডিম ছাড়ে। ২০৮টি নৌকায় পাঁচ শতাধিক ডিম সংগ্রহকারী এবার ৬ হাজার কেজি ডিম সংগ্রহ করেছেন। সংগৃহীত এই ডিম থেকে ১৫২ কেজি রেণু উৎপাদিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছে মৎস্য বিভাগ।
হালদা নদী থেকে আহরিত ডিম থেকে রেণু ফোটাতে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন ডিম সংগ্রহকারীরা। অবশেষে গতকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রেণু বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়। এবার প্রতি কেজি রেণু ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরসহ জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত গড়দুয়ারার কামাল সওদাগর ও মধ্যম মাদার্শার প্রবীণ ডিম সংগ্রহকারী আশু বড়ুয়া।