পাকিস্তানের অনুমোদন পেল বিমানের ঢাকা করাচি ফ্লাইট

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর দেশটির সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (সিএএ) এ অনুমতি দেয় বলে শুক্রবার জিও নিউজের খবরে বলা হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।

পাকিস্তানভিত্তিক এ সংবাদমাধ্যম বলেছে, ৫ অগাস্টের পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতির প্রেক্ষাপটেই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সরাসরি ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত এলো। জিউ নিউজের খবরে বলা হয়, ফেডারেল সরকারের অনুমোদন পাওয়ার পর সিএএ মহাপরিচালক আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে ফ্লাইট পরিচালনার ছাড়পত্র দেন। প্রাথমিকভাবে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত এই অনুমোদন কার্যকর থাকবে।

পাকিস্তানের আকাশসীমার অনুমোদিত রুট ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বিমান বাংলাদেশকে। পাকিস্তানের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির কর্মকর্তারা জানান, পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারকালে বিমান বাংলাদেশকে নির্ধারিত পথ অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া ঢাকা থেকে ফ্লাইট ছাড়ার আগে করাচি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে পূর্ণাঙ্গ ফ্লাইট বিবরণ সরবরাহ করারও শর্ত দেওয়া হয়েছে। সিএএর বরাতে খবরে বলা হয়, চলতি মাসের শেষের দিকেই পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাই কমিশনার ইকবাল হুসেইন খান বলেছিলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস করাচিতে সপ্তাহে তিনটি সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে দুই দেশের সম্পর্কে যে ‘নতুন হাওয়া’ লাগে, তাতে গতি পায় সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়টিও। ঢাকা থেকে আকাশপথে করাচির দূরত্ব প্রায় ২ হাজার ৩৭০ কিলোমিটার। তবে সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় এয়ারলাইন্সগুলোকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় ট্রানজিট নিয়ে যেতে হয় পাকিস্তানে। ট্রানজিট ফ্লাইটের কারণে ২০১৯ সালের ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকার ভাড়া বর্তমানে গড়ে লাখ টাকা ছাড়িয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *