গ্রিনল্যান্ড নিতে আগেও চেষ্টা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, এবার পারবে?

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তার দেশ থেকে অপহরণ করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে তার আকাঙ্ক্ষার কথা জোরের সঙ্গে বলে যাচ্ছেন, আরেকটি সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা সামনে আনছেন, যা ইউরোপজুড়ে ভয় ছড়াচ্ছে, বিশ্বজুড়ে নিন্দাও কুড়াচ্ছে। খবর বিডিনিউজের। এখন না হয় ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের সমপ্রসারণবাদ ভিন্ন মাত্রা ধারণ করেছে, তাই বলে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের এ ধারণা মোটেও ইউনিক নয়। স্বশাসিত এ ডেনিশ অঞ্চলের প্রতি ট্রাম্পের আগেও আরও অনেক মার্কিন কর্মকর্তার চোখ পড়েছিল, কিন্তু তাদের কেউই সফল হতে পারেননি। সিএনএন বলছে, ৮ লাখ ৩৬ হাজার বর্গমাইলের বিশাল দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব মারাত্মক। এটি যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপের মাঝে অবস্থিত, আর্কটিককে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা সামুদ্রিক পথ, যা গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে অবস্থিত তার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুও এটি। দ্বীপটি তেল, গ্যাস ও বিরল খনিজসহ প্রাকৃতিক সম্পদেও ভরপুর, যার সিংহভাগ এখনও খনন হয়নি। সব মিলিয়ে ৫৭ হাজার জনসংখ্যার গ্রিনল্যান্ডে যে কারওই লোলুপ দৃষ্টি পড়ার কথা। দ্বীপটিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ শুরু উনিশ শতকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *