সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট ফয়সালের ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) অ্যাজেন্ট মো. ফয়সাল চৌধুরীর নামে প্রায় চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে ওইসব সম্পদের তথ্য-প্রমাণ বেরিয়ে এসেছে। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। 

নতুন কমিশন যোগ দেওয়ার পর প্রতিবেদনের আলোকে মামলার অনুমোদন দেওয়া হবে। পরে অনুসন্ধান কর্মকর্তা কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি করবেন। 

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, ফয়সাল চৌধুরী ২০২২ সালের ২৪ এপ্রিল দুদকে দাখিল করা বিবরণীতে ১৪ কোটি ৩১ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেন। বিবরণী যাচাইকালে তাঁর নামে ২৫ কোটি ৩১ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ সম্পদ বিবরণীতে তিনি ১১ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দেন। তিনি মেসার্স অনুভব বিজনেস অ্যাজেন্সির মালিক। 

দুদক জানায়, তাঁর পারিবারিক ও অন্যান্য খরচ পাওয়া যায় ১৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকার। পারিবারিক ব্যয়সহ তাঁর অর্জিত সম্পদের মূল্য ৪২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার। বৈধ সম্পদ পাওয়া যায় ৩৯ কোটি দুই লাখ টাকার। এই হিসাব অনুযায়ী ফয়সাল চৌধুরীর নামে তিন কোটি ৮৬ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া যায়, যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *