রিজওয়ানাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের

রাজনীতি ও সমাজে নারীবাদ, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমান অংশগ্রহণ নিয়ে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই বক্তব্য নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সমালোচনা করেছে জামায়াতে ইসলামী। তবে বিষয়টিকে খণ্ডিতভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা বলে দাবি করেছেন সাবেক এই উপদেষ্টা।

গতকাল দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে সমসাময়িক বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, বিগত নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়ে আমরা নানা অভিযোগ ইতোমধ্যেই তুলে ধরেছি। এ বিষয়ে গতকাল আমরা একটা রাজসাক্ষী পেয়েছি, যিনি সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। সরকারের কাছে দাবি থাকবে, তাঁকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনতে হবে।

এর আগে একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রাজনীতির এমন একটি অংশ রয়েছে যারা নারীবাদ, নারীর ক্ষমতায়ন ও সমান অংশগ্রহণের বিরোধিতা করে। সেই শক্তি যেন কখনও মূলধারায় প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে বিষয়ে সমাজের সবাইকে কাজ করতে হবে।

এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, তিনি একটি রাজনৈতিক দলকে ‘মেইনস্ট্রিম হতে না দেওয়া’র কথা বলেছেন।
এদিকে গতকাল বিকেলে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আজ আমার একটি বক্তব্য খণ্ডিত করে প্রচার করে, আমার সঙ্গে নির্বাচনকে যুক্ত করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত।  প্রশ্নটি ছিল– মাজারে হামলা, বাউলদের ওপর নির্যাতন, নারীদের নিয়ে নানা কটূক্তি। আপনি কীভাবে দেখেছেন সেই সময়? আমার বক্তব্যের সারাংশ এ রকম– আমি বলেছি যারা ‘কটূক্তি’ করেছে তাদের বিষয়ে নারী সমাজ যেমন প্রতিবাদ করেছে, সরকারও কথা বলেছে। কটূক্তি করা উগ্রবাদী শক্তি যেন মেইনস্ট্রিম (সমাজে প্রাধান্য সৃষ্টিকারী) না হয় সেটার বিষয়ে আমাদের (নারী সমাজকে) কাজ করতে হবে। নারী সমাজ (সরকার না) সেই সব কটূক্তি করা শক্তিকে মেইনস্ট্রিম হতে দেয় নাই। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *