করাচি শপিং মলে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ছাড়াল ৬০

পাকিস্তানের করাচিতে গুল প্লাজা শপিং মলে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ৬০ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। বৃহস্পতিবার সকালেও ওই মলে উদ্ধার অভিযান চলছিল বলে জানিয়েছে ডন। শনিবার এমএ জিন্নাহ রোডের গুল প্লাজায় লাগা আগুন নেভাতে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছিল।

ধ্বংসস্তূপ থেকে আগুন ফের ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে সোমবার দমকলকর্মীদের ফের অভিযানে নামতে হয়। অগ্নিকাণ্ডে এক হাজার ২০০ দোকানের চারতলা ওই শপিং মলের অনেক জায়গা ধসে পড়েছে। অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল রেসকিউ ১১২২ বুধবার রাতভর অভিযান চালিয়েছে। নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার অভিযানের ধীরগতির তুমুল সমালোচনাও করছে। ৫০ এর অধিক পরিবার ডিএনএ নমুনা দিয়েছে বলে আগেই সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন পুলিশ সার্জন সুমাইয়া সাইদ।

ডিএনএ নমুনা মিললেই আমরা মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবো, বলেছিলেন তিনি। অগ্নিকাণ্ডের সময় বাবা ও ২৬ বছর বয়সী মলের ভেতরে থাকা ফারাজ আলি প্যারিসভিত্তিক এক সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, তিনি চান সব মৃতদেহ যেন উদ্ধার এবং পরে সেগুলো পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মৃতদেহ পেলে পরিবারগুলো কিছু তো পাবে, সামান্য সান্ত্বনা, সামান্য শান্তি।

অন্তত আমরা শেষবারের মতো তাদের দেখতে তো পাবো, তা তাদের অবস্থা যেমনই হোক, সেক্ষেত্রে আমরা শেষবিদায় দিতে পারবো, বলেছেন ২৮ বছর বয়সী ফারাজ। বুধবার উদ্ধারকারীরা মলের ভেতর এক দোকান থেকেই অন্তত ৩০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেন। করাচি সাউথের উপ–মহাপরিদর্শক সাইদ আসাদ রাজা ডনকে বলেছেন, মাঝের তলার যে দোকান থেকে ওই মৃতদেহগুলো মিলেছে সেটির নাম ছিল দুবাই ক্রোকারি। এর আগে বুধবার উদ্ধারকারীরা আরও তিনজনের মৃতদেহ পেয়েছিল, তাতে আগের ২৮ থেকে মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩১–এ। কিন্তু দুবাই ক্রোকারি থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের পর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৬১ জনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *